শনিবার, ২০ এপ্রিল ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ৭ বৈশাখ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
নুসরাত হত্যা : পুলিশের ভূমিকার বিচার বিভাগীয় তদন্ত চায় টিআইবি  » «   রাজীবের মৃত্যুর এক বছরেও মেলেনি ক্ষতিপূরণের কানাকড়ি  » «   দুর্যোগ সম্পর্কে সচেতনতামূলক প্রচারণা জরুরি : প্রধানমন্ত্রী  » «   বিএনপির ১৪ শীর্ষ নেতাদের জামিন বহাল  » «   একসঙ্গে পুড়ল তিন ভাইয়ের ‘স্বপ্ন’  » «   সিগারেট খেলে ফ্রিজ ফ্রি!  » «   রমজানে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বাড়বে না : বাণিজ্যমন্ত্রী  » «   পাকিস্তানে নির্মিত হচ্ছে বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম মসজিদ  » «   জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনে ‘মুজিবনগর দিবস’ উদযাপন  » «   ব্রুনাই সফরে ৬ সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করবেন প্রধানমন্ত্রী  » «   বিশ্বের প্রভাবশালী ১০০ ব্যক্তির তালিকা প্রকাশ  » «   প্যারোলে মুক্তি ও এমপিদের শপথ গ্রহণ : যা ভাবছেন খালেদা জিয়া ও বিএনপি  » «   আপিলে হারলো যুক্তরাজ্য সরকার, কাটতে পারে বহু বাংলাদেশির ভিসা জটিলতা  » «   বিয়ের প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় কলেজছাত্রীকে ছুরিকাঘাত  » «   লিবিয়ায় গৃহযুদ্ধ: নিরাপদ স্থানে সরানো হলো ৩০০ বাংলাদেশিকে  » «  

অবহেলা: দাঁড়িয়েই সন্তান প্রসব!



হঠাৎ করেই প্রসব যন্ত্রণা উঠেছিল এক নারীর। কিন্তু কোনও স্ট্রেচার বা হুইলচেয়ার না থাকায় ২৫ বছরের এক নারীকে জোর করেই হেঁটেই যেতে বাধ্য করা হয়েছিল। আর তাতেই ঘটল বিপত্তি।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ থেকে তার জন্য স্ট্রেচার বা হুইল চেয়ারের ব্যবস্থা করা হয়নি। অগত্যা হাঁটতে হাঁটতে অপারেশন থিয়েটারে যাওয়ার সময়ই সন্তান প্রসব করে ফেলেন তিনি। মেঝেতে পড়ে সদ্যোজাত তৎক্ষণাৎ মারা যায়।এমনই ঘটনা ঘটেছে ভারতের উত্তর প্রদেশে।

ঘোডাডোংরির বাসিন্দা নীলু ভার্মার প্রসব যন্ত্রণা উঠেছিল। তাকে নিয়ে আসা হয় বেতুল হাসপাতালে। যন্ত্রণায় তিনি হাঁটতে পারছিলেন না। তবুও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ স্ট্রেচারের ব্যবস্থা করেনি। তাকে করিডর দিয়েই হেঁটে যেতে বলা হয়। কিন্তু হাঁটার মতো অবস্থায় তিনি ছিলেন না। করিডরের সামনেই দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে তিনি সন্তান প্রসব করেন। কিন্তু সন্তানকে বাঁচানো যায়নি।করিডরের মেঝেয় পড়ে শিশুটি মারা যায়।

বেতুল সরকারি হাসপাতালের শল্য চিকিৎসক একে বারাঙ্গা স্বীকার করেছেন যে কর্মীদের দায়িত্বজ্ঞানহীনতার জন্যই এই কাণ্ড ঘটেছে। যারা দোষী, তাদের শাস্তি দেয়ার কথাও জানিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। অবশ্য ঠিক কী কারণে শিশুটির মৃত্যু হয়েছে তা অটোপ্সি রিপোর্ট না এলে জানা যাবে না।

সেই নারীর স্বামী বিকাশ ভার্মা জানান, ‌ঘোডাডোংরির প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রের সব ডাক্তাররা ছুটিতে থাকায় হাসপাতালে নিয়ে এসেছিলাম স্ত্রীকে। প্রসব যন্ত্রণায় স্ত্রী কাতর ছিল। তবুও তার জন্য স্ট্রেচার বা হুইল চেয়ারের ব্যবস্থা করা হয়নি। অগত্যা হাঁটতে হাঁটতে অপারেশন থিয়েটারে যাওয়ার সময়ই সন্তান প্রসব করে ফেলে স্ত্রী। মেঝেতে পড়ে সাথে সাথেই মারা যায় শিশুটি।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: