রবিবার, ১৬ জুন ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ২ আষাঢ় ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
বিকল্প কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা না থাকায় ভালো নেই সুনামগঞ্জের হাওরাঞ্চলের মানুষ  » «   সীমান্তে বাংলাদেশি হত্যা ‘অনাকাঙ্ক্ষিত মৃত্যু’: বিএসএফ মহাপরিচালক  » «   সর্বোচ্চ চেষ্টা’ করেও ওসি মোয়াজ্জেমকে ধরতে পারছে না পুলিশ  » «   পৃথিবীর ইতিহাসে সর্বোচ্চ তাপমাত্রার রেকর্ড কুয়েতে  » «   রোহিঙ্গা সংকট সমাধান না হলে অস্থিতিশীল হবে এশিয়া: রাষ্ট্রপতি  » «   অবশেষে ইমরান-মোদির সৌজন্য সাক্ষাৎ  » «   এমপিও পাবেন মাদরাসার সাড়ে ২১ হাজার শিক্ষক  » «   বাজেট সমালোচকদের যে গল্প শোনালেন প্রধানমন্ত্রী  » «   সুনামগঞ্জে পরিবহন সেক্টরে নৈরাজ্য ঠেকাতে প্রতিবাদ  » «   পশ্চিমবঙ্গে থাকতে হলে বাংলায় কথা বলতে হবে: মমতা  » «   ইকোসকে বিপুল ভোটে জয় পেল বাংলাদেশ  » «   মোবাইলে ১০০ টাকার কথা বললে ২৭ টাকা কেটে নেবে সরকার  » «   সাক্ষ্য দিতে চাওয়ায় প্রাণটাই কেড়ে নিল আসামিরা  » «   পশ্চিমবঙ্গকে বাংলাদেশ নয়; গুজরাট বানানো ভাল : দিলীপ ঘোষ  » «   বাজেটের প্রভাব: দাম বাড়বে যেসব জিনিসের  » «  

অবহেলা: দাঁড়িয়েই সন্তান প্রসব!



হঠাৎ করেই প্রসব যন্ত্রণা উঠেছিল এক নারীর। কিন্তু কোনও স্ট্রেচার বা হুইলচেয়ার না থাকায় ২৫ বছরের এক নারীকে জোর করেই হেঁটেই যেতে বাধ্য করা হয়েছিল। আর তাতেই ঘটল বিপত্তি।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ থেকে তার জন্য স্ট্রেচার বা হুইল চেয়ারের ব্যবস্থা করা হয়নি। অগত্যা হাঁটতে হাঁটতে অপারেশন থিয়েটারে যাওয়ার সময়ই সন্তান প্রসব করে ফেলেন তিনি। মেঝেতে পড়ে সদ্যোজাত তৎক্ষণাৎ মারা যায়।এমনই ঘটনা ঘটেছে ভারতের উত্তর প্রদেশে।

ঘোডাডোংরির বাসিন্দা নীলু ভার্মার প্রসব যন্ত্রণা উঠেছিল। তাকে নিয়ে আসা হয় বেতুল হাসপাতালে। যন্ত্রণায় তিনি হাঁটতে পারছিলেন না। তবুও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ স্ট্রেচারের ব্যবস্থা করেনি। তাকে করিডর দিয়েই হেঁটে যেতে বলা হয়। কিন্তু হাঁটার মতো অবস্থায় তিনি ছিলেন না। করিডরের সামনেই দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে তিনি সন্তান প্রসব করেন। কিন্তু সন্তানকে বাঁচানো যায়নি।করিডরের মেঝেয় পড়ে শিশুটি মারা যায়।

বেতুল সরকারি হাসপাতালের শল্য চিকিৎসক একে বারাঙ্গা স্বীকার করেছেন যে কর্মীদের দায়িত্বজ্ঞানহীনতার জন্যই এই কাণ্ড ঘটেছে। যারা দোষী, তাদের শাস্তি দেয়ার কথাও জানিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। অবশ্য ঠিক কী কারণে শিশুটির মৃত্যু হয়েছে তা অটোপ্সি রিপোর্ট না এলে জানা যাবে না।

সেই নারীর স্বামী বিকাশ ভার্মা জানান, ‌ঘোডাডোংরির প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রের সব ডাক্তাররা ছুটিতে থাকায় হাসপাতালে নিয়ে এসেছিলাম স্ত্রীকে। প্রসব যন্ত্রণায় স্ত্রী কাতর ছিল। তবুও তার জন্য স্ট্রেচার বা হুইল চেয়ারের ব্যবস্থা করা হয়নি। অগত্যা হাঁটতে হাঁটতে অপারেশন থিয়েটারে যাওয়ার সময়ই সন্তান প্রসব করে ফেলে স্ত্রী। মেঝেতে পড়ে সাথে সাথেই মারা যায় শিশুটি।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: