সোমবার, ৯ ডিসেম্বর ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
লন্ডনে দ্বিতীয় জনপ্রিয় ভাষা বাংলা  » «   ঘুষের টাকাসহ হাতেনাতে সাব-রেজিস্ট্রার আটক  » «   আর কোনো হায়েনার দল বাংলার বুকে চেপে বসতে পারবে না  » «   সিলেটে মুক্তিযুদ্ধের পাণ্ডুলিপি সংগ্রহ করলেন প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী  » «   ফের জাতীয় পার্টির ঢাকা জেলা শাখার সভাপতি সালমা ইসলাম এমপি  » «   বিয়ানীবাজারে ৯৯০ পিস ইয়াবাসহ পেশাদার মাদক ব্যবসায়ী আটক  » «   আয়কর দিবস উপলক্ষে সিলেটে বর্ণাঢ্য র‌্যালি  » «   এবার শ্রীমঙ্গলে ট্রেনের ইঞ্জিনে আগুন  » «   বেলজিয়ামে মসজিদে তালা দেওয়ায় বাংলাদেশিদের প্রতিবাদ  » «   পায়রা উড়িয়ে জাতীয় পার্টির ঢাকা জেলা শাখার সম্মেলন উদ্বোধন  » «   ভারতের অর্থনীতির দুরবস্থা, জিডিপি কমে সাড়ে ৪ শতাংশ  » «   পায়রা উড়িয়ে সম্মেলন উদ্বোধন করলেন শেখ হাসিনা  » «   লন্ডন ব্রিজে আবারও সন্ত্রাসী হামলা, নিহত ২  » «   চীন থেকে মা-বাবার জন্য পেঁয়াজ নিয়ে এলেন মেয়ে  » «   রক্তে ভাসছে ইরাক, নিহত ৮২  » «  

অবশেষে সহিংসতায় নিহতদের পরিবারের সঙ্গে দেখা হলো প্রিয়াঙ্কার



আন্তর্জাতিক ডেস্ক:: ১৪৪ ধারা ভঙ্গের অভিযোগ এনে কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক প্রিয়াঙ্কা গান্ধীকে সোনভদ্রায় যেতে বাধা দেওয়া হলেও তিনি কোনোভাবেই কাজ শেষ না করে দিল্লিতে ফিরে যেতে রাজি নন। উত্তরপ্রদেশ সরকার যতই চেষ্টা করুক ফেরত পাঠানোর, সোনভদ্রার ভুক্তভোগী পরিবারের সঙ্গে দেখা না করে ফিরবেন না বলে জানিয়ে দিয়েছেন প্রিয়াঙ্কা। মির্জাপুরের যে গেস্ট হাউসটিতে তাকে আটক রাখা হয়েছে, সেখানে সারারাত ধর্নায় বসেছিলেন তিনি।

অবশেষে, সোনভদ্রায় জমিবিরোধজনিত সহিংসতায় নিহতদের স্বজনরা নিজেরাই প্রিয়াঙ্কার সঙ্গে মির্জাপুরে দেখা করেছেন। কংগ্রেসের জ্যেষ্ঠ নেতা অজয় রায় জানান, শনিবার (২০ জুলাই) সকালে ভুক্তভোগী পরিবারগুলোর ১২ জন সদস্য দলের সাধারণ সম্পাদকের সঙ্গে দেখা করেছেন।

গত বুধবার (১৭ জুলাই) উত্তর প্রদেশের সোনভদ্রা গ্রামে জমি নিয়ে সংঘর্ষের জেরে গুলিবিদ্ধ হয়ে ১০ জন নিহত হন। উত্তর প্রদেশে অপরাধ বৃদ্ধি ও আইনের শাসন নেই বলে রাজ্য সরকার ও মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের সমালোচনা করেন প্রিয়াঙ্কা। নিহতদের পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে শুক্রবার (১৯ জুলাই) সেখানে যাচ্ছিলেন প্রিয়াঙ্কা। মাঝপথে তাকে থামিয়ে দেওয়া হয়।

সোনভদ্রা যাওয়ার পথে তাকে আটক করা হলে মির্জাপুর নামক এলাকার রাস্তায় বসে পড়েন প্রিয়াঙ্কা। তার সঙ্গে থাকা অন্য কংগ্রেস কর্মীরাও পাশেই বসে পড়েন। প্রিয়াঙ্কার নিরাপত্তারক্ষীরা তাদের ঘিরে থাকেন। এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে,প্রিয়াঙ্কা সেখান থেকে সরে যেতে অস্বীকৃতি জানালে তাকে আটক করে সরকারি গাড়িতে তোলা হয়।

শুক্রবার রাতে চুনার দুর্গের ধরনামঞ্চ থেকে প্রিয়াঙ্কাকে একটি গেস্টহাউসে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে সরকারের তরফ থেকে তার কাছে অনুরোধ করা হয় অবিলম্বে দিল্লি ফিরে যাওয়ার জন্য। তবে প্রিয়াঙ্কা তার অবস্থানে অনড় থাকেন। তিনিও জানিয়ে দেন, ভুক্তভোগীদের সঙ্গে দেখা করতে না দিলে তিনি ফিরবেন না। শুক্রবার সারা রাত এই ঘটনা নিয়ে একাধিক টুইট করেন প্রিয়াঙ্কা।

একটি টুইটে তিনি বলেন, ‘বারাণসীর এডিজি, পুলিশ কমিশনার এবং মির্জাপুরের ডিআইজি আমার কাছে এক ঘণ্টা ধরে বসে রয়েছেন। আমাকে বলেছেন আক্রান্তদের পরিবারের সঙ্গে দেখা না করেই আমাকে ফিরে যেতে হবে। আমাকে কেন আটক করা হয়েছে, তার কোনো কারণ তারা দেখাতে পারেননি। কোনো কাগজপত্রও আমি হাতে পাইনি।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমার আইনজীবী জানিয়েছেন, এভাবে আমায় আটক করা সম্পূর্ণ বেআইনি।’

সারারাত ওইভাবে ধর্নায় থাকার পর শনিবার সোনভদ্রার সহিংসতায় নিহতদের স্বজনরাই প্রিয়াঙ্কার সঙ্গে দেখা করতে মির্জাপুরে আসেন। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম আউটলুক ইন্ডিয়া জানিয়েছে, শুরুতে তাদেরকে (নিহতদের স্বজনদের) প্রিয়াঙ্কার সঙ্গে দেখা করার জন্য গেস্ট হাউসে প্রবেশের অনুমতি দেয়নি পুলিশ। পরে সে আদেশ প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়।

নিহতদের স্বজনদের সান্ত্বনা দেন প্রিয়াঙ্কা। তাদের অশ্রু মুছে দেন। পরে সাংবাদিকদের প্রিয়াঙ্কা বলেন, পুলিশ ও প্রশাসন কী চাইছে তা তিনি বুঝতে পারছেন না। ‘তারা (পরিবারগুলো) আমার সঙ্গে দেখা করতে এখানে এসেছে, অথচ তাদের ঢুকতে দেওয়া হচ্ছিলো না।’

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: