বুধবার, ২৬ জুন ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ১২ আষাঢ় ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
যুক্তরাষ্ট্রে যাবার সময় নদীতে ডুবলো শরণার্থী বাবা-মেয়ে  » «   দেশে ফিরছেন সাগরে ভাসা আরও ২৪ বাংলাদেশি  » «   অস্ট্রেলিয়ায় আগুনে পুড়ে ৩ ভাই-বোন নিহত  » «   অবশেষে বরখাস্ত ডিআইজি মিজান  » «   সরকারি চাকরিতে ডোপটেস্ট বাধ্যতামূলক করা হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী  » «   ঘুষ নেয়ার ভিডিও করায় সাংবাদিককে পেটাল পুলিশ, ৪ পুলিশ সদস্য ক্লোজড  » «   শেষ বয়সে খেলোয়াড়দের সুরক্ষায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা ‍নিতে ক্রীড়া মন্ত্রণালয়কে প্রধানমন্ত্রীর নির্দে  » «   বিএনপির নেতৃত্বে আসছেন তারেকের কন্যা!  » «   সরকারি নিয়োগের স্বাস্থ্য পরীক্ষা বেসরকারিতে!  » «   তিন বাংলাদেশিসহ চার নব্য জেএমবি জঙ্গিকে গ্রেপ্তার করেছে কলকাতা পুলিশ  » «   ‘শহীদ’ জিয়াকে নিয়ে সংসদে মমতাজের হাস্যরস  » «   বগুড়া-৬ উপনির্বাচনে বিপুল ব্যবধানে বিএনপি প্রার্থীর জয়  » «   প্রথমবার সিলেট-চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটে উড়বে ইউএস-বাংলা  » «   ভূমিকম্পে কেঁপে উঠলো ইন্দোনেশিয়ায়-জাপান-অস্ট্রেলিয়া  » «   ভোটকেন্দ্রেই ঘুমিয়ে পড়লেন কর্মকর্তা  » «  

অফিসের বাইরে আর ধরতে হবে না ‘বস’-এর ফোন!



আন্তর্জাতিক ডেস্ক:: বেসরকারি চাকরিজীবীদের অফিস শেষ করে বাসায় এসেও যেন স্বস্তি মেলে না। অফিস এর বসেরই কোনো ফোন বা ইমেইল থাকলে তা দেখতে হয়। কোনো নির্দেশনা থাকলে তা মানতে হয়। তাই ব্যক্তিগত জীবনে আলাদা করে একটু সময় কাটানোটাই যেন দুষ্কর হয়ে পড়ে।

এ অবস্থা থেকে নিষ্কৃতি মিলছে ভারতের বেসরকারি চাকরিজীবীদের। দেশটির আইনসভার নিম্নকক্ষ লোকসভায় এ নিয়ে ‘রাইট টু ডিসকানেক্ট বিল’ উত্থাপন করা হচ্ছে। বিলটি পাশ হলে অফিসের কাজের সময়ের বাইরে কোনও কর্মীকে ফোন বা ই-মেলের উত্তর দিতে বাধ্য করা যাবে না।

স্থানীয় গণমাধ্যম সূত্রে জানা যায়, শীতকালীন অধিবেশনের শেষ দিনে বিলটি লোকসভায় পেশ করেন এনসিপি সাংসদ সুপ্রিয়া সুলে। বিলের বিষয়ে তিনি বলেন, পরিবারের সঙ্গে কর্মক্ষেত্রের ভারসাম্য রক্ষা করতেই ‘ডিসকানেক্ট’ এবং ‘কল রিসিভ’ না করার অধিকার দেওয়া দরকার।

বিলে বেসরকারি কর্মীদের মূল অধিকারের অংশে রয়েছে, অফিসের বাইরে কর্মীকে তার ‘বস’ ফোন করতেই পারেন। কিন্তু সেই কর্মী ফোন না ধরলেও কোনো সমস্যা নেই। ই-মেলের ক্ষেত্রেও একই আইন প্রযোজ্য হবে।

সারা বিশ্বে ফ্রান্সই একমাত্র দেশ, যেখানে এই নিয়ম চালু রয়েছে। নিউইয়র্কেও প্রায় একইরকম বিল আনা হয়েছে। এই ধরনের কোনও আইন আনা যায় কি না, তা নিয়ে আলোচনা চলছে জার্মানিতেও।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: