শনিবার, ২৩ মার্চ ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ৯ চৈত্র ১৪২৫ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
ভারতে লোকসভা নির্বাচনে প্রার্থীদের প্রথম তালিকা ঘোষণা করলো বিজেপি  » «   সিলেটে ট্রাকের ধাক্কায় প্রাণ গেল সিলসিলার ম্যানেজারের  » «   নিজের চেয়ার ছেড়ে জহিরুলের পাশে এসে দাঁড়ালেন প্রধানমন্ত্রী  » «   সিলেটে নির্মাণ হতে যাচ্ছে স্মৃতিসৌধ,পররাষ্ট্রমন্ত্রীর ডিও লেটার  » «   সুখী দেশের তালিকায় বাংলাদেশের ১০ ধাপ অবনতি  » «   জাফর ইকবালকে হত্যাচেষ্টা মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু  » «   আইডিয়া’র ২৫ বছর পূর্তি উৎসবে র‍্যালি, আলোচনাসভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান  » «   উন্নয়ন করতে গিয়ে জীবন ও জীবিকার যেন ক্ষতি না হয় : প্রধানমন্ত্রী  » «   আজ দিন রাত সমান, আকাশে থাকবে সুপারমুন  » «   সহকর্মীর হাতে খুন হলেন তিন ভারতীয় সেনা  » «   মসজিদে হামলাধারী ব্রেন্টন আইএস থেকে ভিন্ন কিছু নয়: এরদোগান  » «   সিলেটে মেশিনে আদায় হবে যানবাহনের মামলার জরিমানা  » «   গ্যাসের দাম ১৩২% বৃদ্ধির প্রস্তাব হাস্যকর  » «   মেয়রের আশ্বাসে ২৮ মার্চ পর্যন্ত আন্দোলন স্থগিত  » «   দরিদ্র বলে এদেশে কিছু থাকবে না : প্রধানমন্ত্রী  » «  

অফিসের বাইরে আর ধরতে হবে না ‘বস’-এর ফোন!



আন্তর্জাতিক ডেস্ক:: বেসরকারি চাকরিজীবীদের অফিস শেষ করে বাসায় এসেও যেন স্বস্তি মেলে না। অফিস এর বসেরই কোনো ফোন বা ইমেইল থাকলে তা দেখতে হয়। কোনো নির্দেশনা থাকলে তা মানতে হয়। তাই ব্যক্তিগত জীবনে আলাদা করে একটু সময় কাটানোটাই যেন দুষ্কর হয়ে পড়ে।

এ অবস্থা থেকে নিষ্কৃতি মিলছে ভারতের বেসরকারি চাকরিজীবীদের। দেশটির আইনসভার নিম্নকক্ষ লোকসভায় এ নিয়ে ‘রাইট টু ডিসকানেক্ট বিল’ উত্থাপন করা হচ্ছে। বিলটি পাশ হলে অফিসের কাজের সময়ের বাইরে কোনও কর্মীকে ফোন বা ই-মেলের উত্তর দিতে বাধ্য করা যাবে না।

স্থানীয় গণমাধ্যম সূত্রে জানা যায়, শীতকালীন অধিবেশনের শেষ দিনে বিলটি লোকসভায় পেশ করেন এনসিপি সাংসদ সুপ্রিয়া সুলে। বিলের বিষয়ে তিনি বলেন, পরিবারের সঙ্গে কর্মক্ষেত্রের ভারসাম্য রক্ষা করতেই ‘ডিসকানেক্ট’ এবং ‘কল রিসিভ’ না করার অধিকার দেওয়া দরকার।

বিলে বেসরকারি কর্মীদের মূল অধিকারের অংশে রয়েছে, অফিসের বাইরে কর্মীকে তার ‘বস’ ফোন করতেই পারেন। কিন্তু সেই কর্মী ফোন না ধরলেও কোনো সমস্যা নেই। ই-মেলের ক্ষেত্রেও একই আইন প্রযোজ্য হবে।

সারা বিশ্বে ফ্রান্সই একমাত্র দেশ, যেখানে এই নিয়ম চালু রয়েছে। নিউইয়র্কেও প্রায় একইরকম বিল আনা হয়েছে। এই ধরনের কোনও আইন আনা যায় কি না, তা নিয়ে আলোচনা চলছে জার্মানিতেও।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: