শনিবার, ১৮ অগাস্ট ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ৩ ভাদ্র ১৪২৫ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
চাকরি পেলেন সিলেটের অর্ধশতাধিক প্রতিবন্ধী  » «   ‘নির্বাচনকালীন সরকারের নেতৃত্ব দিবেন প্রধানমন্ত্রী’  » «   কফি আনানের মৃত্যুতে স্পিকারের শোক  » «   চীন থেকে ফিরে ঠান্ডা মাথায় সাবেক স্বামীকে খুন!  » «   মুক্তিযোদ্ধা ছাড়া সব কোটা বাতিল হচ্ছে: নাসিম  » «   জাতিসংঘের সাবেক মহাসচিব কফি আনান আর নেই  » «   ‘ভুলে ভরা’ ইমরানের শপথ  » «   বিএনপি নির্বাচনে গেলে আ.লীগের সঙ্গে থাকবে জাতীয় পার্টি : এরশাদ  » «   ৬ জিবি র‌্যামের নতুন ফোন আনলো স্যামসাং  » «   হবিগঞ্জে পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু  » «   নাট্যাচার্য সেলিম আল-দীনের ৬৯তম জন্মজয়ন্তী আজ  » «   হকারদের দখলে নগরীর প্রধান প্রধান সড়ক,যানজটে অতিষ্ঠ নগরবাসী  » «   আজ ফাইনালে ভারতের মুখোমুখি বাংলাদেশ  » «   বিক্রেতারা গরুর দাম সহনীয় বললেও ক্রেতারা বলছেন বেশি  » «   গ্যালাক্সি নোট ৯-এর পেছনে এক কেজি সোনা, দাম অর্ধকোটি টাকা!  » «  

অধ্যক্ষ ফেন্সি খুনস্বামী ও দ্বিতীয় স্ত্রী জেলহাজতে!



নিউজ ডেস্ক::চাঁদপুরে কেন্দ্রীয় মহিলা আওয়ামী লীগ নেত্রী অধ্যক্ষ শাহীন সুলতানা ফেন্সি খুনের ঘটনায় তার স্বামী জেলা আওয়ামী লীগ নেতা অ্যাডভোকেট জহিরুল ইসলামসহ চারজনের নাম উল্লেখ করে মামলা হয়েছে। মঙ্গলবার (৬ জুন) বিকালে চাঁদপুর মডেল থানায় নিহত অধ্যক্ষ ফেন্সির ভাই মো. ফোরকান উদ্দিন খান মামলা করেন। সন্ধ্যায় মামলার প্রধান আসামি অ্যাডভোকেট জহিরুল ইসলাম ও তার দ্বিতীয় স্ত্রী জুলেখা বেগমকে চাঁদপুর পুলিশ কোর্টে (জিআরও কোর্ট) হাজির করে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

মামলার এজাহারে যে চারজনকে বিবাদী করা হয়েছে তারা হচ্ছেন, নিহত অধ্যক্ষ ফেন্সির স্বামী জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট জহিরুল ইসলাম, তার দ্বিতীয় স্ত্রী জুলেখা বেগম, ছোট ভাই চাঁদপুর পৌরসভার ১৪নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি খায়রুল ইসলাম নয়ন ও বোন রানু বেগম। এ ছাড়া মামলায় অজ্ঞাতনামা আরো কয়েকজনকে আসামি করা হয়েছে।

মামলার এজাহার বাদী ফোরকান উল্লেখ করেছেন, আমার বোন অধ্যক্ষ শাহীন সুলতানা ফেন্সি তিন কন্যা সন্তানের জননী। প্রায় তিন বছর আগে আমার ভগ্নিপতি অ্যাডভোকেট জহির তার স্ত্রীর অনুমতি ব্যতীত দ্বিতীয় বিবাহ করেন এবং ওই স্ত্রীকে নিয়ে চাঁদপুর শহরের নাজিরপাড়ায় বাসা ভাড়া করে থাকেন।

দ্বিতীয় বিবাহের পর থেকেই অ্যাডভোকেট জহির আমার বোনকে বিভিন্ন সময় শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করত। এছাড়া দ্বিতীয় স্ত্রীকে দিয়ে আমার বোনকে প্রায়ই হুমকি দিত। আমার বোন আমাদেরকে জানানোর পর আমি বহুবার অ্যাডভোকেট জহিরের সঙ্গে আপস করার চেষ্টা করেছি। কিন্তু জহির তার প্রভাব প্রতিপত্তির কারণে আমাদেরকে কোনো পাত্তাই দিত না। সবশেষে অ্যাডভোকেট জহির ও তার দ্বিতীয় স্ত্রী অন্য বিবাদীদের যোগসাজশে আমার বোনকে হত্যা করে। আমি আমার বোনের এই নির্মম হত্যাকাণ্ডের বিচার চাই। সূত্র: মানবজমিন।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: