সোমবার, ১৮ জুন ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ৪ আষাঢ় ১৪২৫ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
ছাত্রীর সঙ্গে শিক্ষকের কুকীর্তি ফাঁস!  » «   মায়ের পছন্দ ব্রাজিল, সমর্থক জয়ও  » «   পুলিশ কমিশনার‘ঈদগাহে ছাতা ও জায়নামাজ ছাড়া অন্য কিছু নয়’  » «   ‘আমিও প্রেগনেন্ট হয়েছি, অনেকবার অ্যাবরশনও করিয়েছি’  » «   গুগল পেজ ইরর দেখায় কেন?  » «   রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, সিইসি কে কোথায় ঈদ করছেন  » «   ইসি সচিব : তিন সিটি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা  » «   বিপজ্জনক রূপ নিয়েছে মনু ও ধলাই  » «   বিশ্বকাপের একদিন আগে বরখাস্ত স্পেন কোচ!  » «   ঢাকা-চট্রগ্রাম মহাসড়কে ৭ কি.মি. যানজট  » «   শারীরিক সম্পর্ক নিয়ে আলিয়ার সোজা কথা!  » «   যে কারণে ইউনাইটেড হাসপাতালে যেতে চান খালেদা  » «   খালেদা চিকিৎসা চান নাকি রাজনীতি করছেন : সেতুমন্ত্রী  » «   যানজটের কথা শুনিনি, কেউ অভিযোগও করেননি  » «   ডিএমপি কমিশনার আছাদুজ্জামান ‘বকশিসের নামে নীরব চাঁদাবাজি নেই’  » «  

অধ্যক্ষ ফেন্সি খুনস্বামী ও দ্বিতীয় স্ত্রী জেলহাজতে!



নিউজ ডেস্ক::চাঁদপুরে কেন্দ্রীয় মহিলা আওয়ামী লীগ নেত্রী অধ্যক্ষ শাহীন সুলতানা ফেন্সি খুনের ঘটনায় তার স্বামী জেলা আওয়ামী লীগ নেতা অ্যাডভোকেট জহিরুল ইসলামসহ চারজনের নাম উল্লেখ করে মামলা হয়েছে। মঙ্গলবার (৬ জুন) বিকালে চাঁদপুর মডেল থানায় নিহত অধ্যক্ষ ফেন্সির ভাই মো. ফোরকান উদ্দিন খান মামলা করেন। সন্ধ্যায় মামলার প্রধান আসামি অ্যাডভোকেট জহিরুল ইসলাম ও তার দ্বিতীয় স্ত্রী জুলেখা বেগমকে চাঁদপুর পুলিশ কোর্টে (জিআরও কোর্ট) হাজির করে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

মামলার এজাহারে যে চারজনকে বিবাদী করা হয়েছে তারা হচ্ছেন, নিহত অধ্যক্ষ ফেন্সির স্বামী জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট জহিরুল ইসলাম, তার দ্বিতীয় স্ত্রী জুলেখা বেগম, ছোট ভাই চাঁদপুর পৌরসভার ১৪নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি খায়রুল ইসলাম নয়ন ও বোন রানু বেগম। এ ছাড়া মামলায় অজ্ঞাতনামা আরো কয়েকজনকে আসামি করা হয়েছে।

মামলার এজাহার বাদী ফোরকান উল্লেখ করেছেন, আমার বোন অধ্যক্ষ শাহীন সুলতানা ফেন্সি তিন কন্যা সন্তানের জননী। প্রায় তিন বছর আগে আমার ভগ্নিপতি অ্যাডভোকেট জহির তার স্ত্রীর অনুমতি ব্যতীত দ্বিতীয় বিবাহ করেন এবং ওই স্ত্রীকে নিয়ে চাঁদপুর শহরের নাজিরপাড়ায় বাসা ভাড়া করে থাকেন।

দ্বিতীয় বিবাহের পর থেকেই অ্যাডভোকেট জহির আমার বোনকে বিভিন্ন সময় শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করত। এছাড়া দ্বিতীয় স্ত্রীকে দিয়ে আমার বোনকে প্রায়ই হুমকি দিত। আমার বোন আমাদেরকে জানানোর পর আমি বহুবার অ্যাডভোকেট জহিরের সঙ্গে আপস করার চেষ্টা করেছি। কিন্তু জহির তার প্রভাব প্রতিপত্তির কারণে আমাদেরকে কোনো পাত্তাই দিত না। সবশেষে অ্যাডভোকেট জহির ও তার দ্বিতীয় স্ত্রী অন্য বিবাদীদের যোগসাজশে আমার বোনকে হত্যা করে। আমি আমার বোনের এই নির্মম হত্যাকাণ্ডের বিচার চাই। সূত্র: মানবজমিন।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: