বুধবার, ১৬ জানুয়ারী ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ৩ মাঘ ১৪২৫ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
সংসদ কার্যকর রাখতেই বিরোধী দলে জাপা : জিএম কাদের  » «   মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত রবার্টকে ক্ষমা করে দিন: চীনকে কানাডা  » «   রাতের অন্ধকারে জিনে আগুন দিচ্ছে বাড়ি ও দোকানে!  » «   কেনিয়ায় জঙ্গি হামলা; মার্কিন নাগরিকসহ নিহত ১৫  » «   সিলেট সিটিতে থাকবে ফ্রি ওয়াইফাই সেবা: পররাষ্ট্রমন্ত্রী  » «   ঐক্যফ্রন্টের সংলাপে আমন্ত্রণ পাবে আ.লীগ-জাপা  » «   অসুস্থতার কারণে আদালতে যাননি খালেদা জিয়া  » «   টিআইবির প্রতিবেদন মনগড়া কল্পকাহিনি : তথ্যমন্ত্রী  » «   উদ্ধার হলো শাহনাজের বাইক, ধরা পড়ল চোর  » «   বিদ্যুতের ঋতুভিত্তিক চাহিদার অবসান ঘটাতে হবে: জ্বালানি উপদেষ্টা  » «   পদ্মা নদীর ওপারেই বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর হবে  » «   স্যাটেলাইটে ধরা পড়ল সুন্দরবনের ৪০ একর বন উধাও!  » «   রহস্য খোলাসা করলেন সৌদি থেকে পালিয়ে আসা সেই তরুণী  » «   সংরক্ষিত আসনে মনোনয়ন ফরম কিনলেন তৃতীয় লিঙ্গের ৮ জন  » «   শাস্তির বদলে পদোন্নতি! লেক দূষণ রোধের ৫০ কোটি টাকা নয়ছয়  » «  

অধ্যক্ষ ফেন্সি খুনস্বামী ও দ্বিতীয় স্ত্রী জেলহাজতে!



নিউজ ডেস্ক::চাঁদপুরে কেন্দ্রীয় মহিলা আওয়ামী লীগ নেত্রী অধ্যক্ষ শাহীন সুলতানা ফেন্সি খুনের ঘটনায় তার স্বামী জেলা আওয়ামী লীগ নেতা অ্যাডভোকেট জহিরুল ইসলামসহ চারজনের নাম উল্লেখ করে মামলা হয়েছে। মঙ্গলবার (৬ জুন) বিকালে চাঁদপুর মডেল থানায় নিহত অধ্যক্ষ ফেন্সির ভাই মো. ফোরকান উদ্দিন খান মামলা করেন। সন্ধ্যায় মামলার প্রধান আসামি অ্যাডভোকেট জহিরুল ইসলাম ও তার দ্বিতীয় স্ত্রী জুলেখা বেগমকে চাঁদপুর পুলিশ কোর্টে (জিআরও কোর্ট) হাজির করে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

মামলার এজাহারে যে চারজনকে বিবাদী করা হয়েছে তারা হচ্ছেন, নিহত অধ্যক্ষ ফেন্সির স্বামী জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট জহিরুল ইসলাম, তার দ্বিতীয় স্ত্রী জুলেখা বেগম, ছোট ভাই চাঁদপুর পৌরসভার ১৪নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি খায়রুল ইসলাম নয়ন ও বোন রানু বেগম। এ ছাড়া মামলায় অজ্ঞাতনামা আরো কয়েকজনকে আসামি করা হয়েছে।

মামলার এজাহার বাদী ফোরকান উল্লেখ করেছেন, আমার বোন অধ্যক্ষ শাহীন সুলতানা ফেন্সি তিন কন্যা সন্তানের জননী। প্রায় তিন বছর আগে আমার ভগ্নিপতি অ্যাডভোকেট জহির তার স্ত্রীর অনুমতি ব্যতীত দ্বিতীয় বিবাহ করেন এবং ওই স্ত্রীকে নিয়ে চাঁদপুর শহরের নাজিরপাড়ায় বাসা ভাড়া করে থাকেন।

দ্বিতীয় বিবাহের পর থেকেই অ্যাডভোকেট জহির আমার বোনকে বিভিন্ন সময় শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করত। এছাড়া দ্বিতীয় স্ত্রীকে দিয়ে আমার বোনকে প্রায়ই হুমকি দিত। আমার বোন আমাদেরকে জানানোর পর আমি বহুবার অ্যাডভোকেট জহিরের সঙ্গে আপস করার চেষ্টা করেছি। কিন্তু জহির তার প্রভাব প্রতিপত্তির কারণে আমাদেরকে কোনো পাত্তাই দিত না। সবশেষে অ্যাডভোকেট জহির ও তার দ্বিতীয় স্ত্রী অন্য বিবাদীদের যোগসাজশে আমার বোনকে হত্যা করে। আমি আমার বোনের এই নির্মম হত্যাকাণ্ডের বিচার চাই। সূত্র: মানবজমিন।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: