সোমবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ৯ আশ্বিন ১৪২৫ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
নিলামে উঠছে টাইটানিকের সাড়ে পাঁচ হাজার নিদর্শন  » «   নতুন সরকার এলেও অর্থনীতিতে প্রভাব পড়বে না  » «   গিনেস ওয়ার্ল্ড বুকে স্থান পেলো ‘ঢাকা পরিচ্ছন্নতা অভিযান’  » «   ফিলিপাইনে ভূমিধস : নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৯৫, নিখোঁজ ৫৯  » «   গোপন বৈঠক চলাকালে বিশ্বনাথে লোকমানসহ জামায়াতের ১৭ নেতাকর্মী আটক  » «   ‘রোহিঙ্গা ইস্যুতে নাক গলানোর অধিকার নেই জাতিসংঘের’–মিয়ানমার সেনাপ্রধান  » «   খালেদা জিয়ার চিকিৎসার বিষয়টি স্পর্শকাতর: হাইকোর্ট  » «   মুসলিম বিশ্ব বিপজ্জনক চ্যালেঞ্জর মুখে: সৌদি বাদশাহকে এরদোয়ানের হুঁশিয়ারি  » «   ‘জগাখিচুড়ি মার্কা ঐক্য টিকবে না’–কাদের  » «   ইমরানের এক টুইটেই দরজা বন্ধ!  » «   কুচকাওয়াজে হামলার প্রতিশোধে ইরানকে সহযোগিতা করবে রাশিয়া  » «   ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন: ৩ উৎকণ্ঠা ৩ দাবি  » «   টেস্টে উত্তীর্ণ না হলে মূল পরীক্ষায় বসার সুযোগ নেই  » «   সরকার উৎখাতে দুর্নীতিবাজরা জোট বেঁধেছে: প্রধানমন্ত্রী  » «   জাতীয় নির্বাচন শান্তিপূর্ণ না হওয়ার কারণ দেখছি না: বনমন্ত্রী  » «  

অতিরিক্ত ঘাম হওয়া বন্ধ করেত ঘরোয়া উপায়!



লাইফস্টাইল ডেস্ক::জেনে রাখা ভাল যে ঘাম কিন্তু শরীরের পক্ষে খুব ভাল। কারণ শরীরে জমে থাকা নানা ক্ষতিকর টক্সিন বা বিষ ঘামের মাধ্যমেই দেহের বাইরে বেরিয়ে যায়। ফলে শরীরের কোনও ধরনের ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা কমে। শুধু তাই নয়, মাত্রাতিরিক্ত গরমের সময় শরীরকে ঠান্ডা রাখতেও ঘাম সাহায্য করে থাকে। কিন্তু একথাও ঠিক যে মাত্রাতিরিক্ত ঘাম হওয়াটা মোটেও ভাল নয়। এমনটা হলে শরীরের কোনও ক্ষতি হয় না ঠিকই, কিন্তু লোকসমাজে অপ্রীতিকর পরিস্থিতিতে পরে যাওয়ার আশঙ্কা যায় বেড়ে। কিছু পদ্ধতি আছে যাকে কাজে লাগিয়ে অতিরিক্ত ঘামের সমস্যাকে নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব, সেগুলি হল-

গোলাপ জল
একটা বাটিতে অল্প পরিমাণ গোলাপ জল নিয়ে তুলোর সাহায্যে বগল, হাতের তালু, পায়ের পাতা এবং শরীরের সেই সব জায়গায় লাগান, যেখানে বেশি মাত্রায় ঘাম হয়ে থাকে। এমনটা করলে দেখবেন ঘামের মাত্রা কমতে থাকবে। সেই সঙ্গে ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া মারা যাওয়ার কারণে গায়ের দুর্গন্ধও দূর হয়।

লেবু
শরীরের যে যে জায়গায় বেশি মাত্রায় ঘাম হয়, সেখানে অল্প করে লেবুর রস লাগান অথবা লেবু ঘষে দিন, তাহলেই দেখবেন আর ঘাম হবে না। কারণ লেবুতে এমন কিছু উপাদান রয়েছে, যা প্রাকৃতিক ডিয়োডরেন্টের কাজ করে। সেই সঙ্গে ঘামের দুর্গন্ধ সৃষ্টিকারি ব্যাকটেরিয়াদের মেরে ফেলে। ফলে গায়ের গন্ধ দূর হয়।

অ্যাপেল সিডার ভিনিগার
ভিনিগারে অ্যাস্ট্রিনজেন্ট নামে একটি উপাদান থাকে, যা ঘামের প্রকোপ কমানোর পাশপাশি শরীরে পিএইচ লেভেল ঠিক রাখতেও সাহায্য করে। পি এইচ লেভেলের ভারসাম্য যত ঠিক থাকবে, তত শরীরে গন্ধ সৃষ্টিকারি ব্যাকটেরিয়াদের প্রকোপ কমবে। ফলে ঘামের সঙ্গে সঙ্গে তার গন্ধও হ্রাস পাবে।

লাল চা
লাল চায়ে অ্যাস্ট্রিজেন্ট এবং অ্যান্টিপারস্পিরেন্ট প্রপাটিজ রয়েছে, যা অতিরিক্ত ঘাম হওয়া কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। এক্ষেত্রে এক কাপ জলে একটা টি-ব্যাগ কিছুক্ষণ ডুবিয়ে রেখে সেই জল শরীরে যেখানে বেশি ঘাম হয় সেখানে লাগান। এতে অতিরিক্ত ঘাম হওয়া বন্ধ হয়ে যাবে।

লবণ
ঘামের প্রকোপ কমাতে লবণের কোনও বিকল্প হয় না বললেই চলে। এক্ষেত্রে পরিমাণ মতো লবণ, লেবুর সাথে পানিতে মিশিয়ে শরীরের যেখানে যেখানে বেশি ঘাম হয়, সেখানে সেখানে লাগান। তাহলেই অতিরিক্ত ঘাম হওয়া বন্ধ হবে এবং ঘামের দুর্গন্ধও বন্ধ হবে।

আলু
অতিরিক্ত ঘাম কমাতে দারুনভাবে সাহায্য করে আলু। আসলে আলুতে উপস্থিত বেশ কিছু উপাদান নানাভাবে অতিরিক্ত ঘাম হওয়ার প্রবণতাকে নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসে। আপনিও যদি এমন সমস্যার শিকার হন, তাহলে আজই একটা আলু দু- টুকরো করে শরীরের যে যে জায়গায় ঘাম বেশি হয়, সেখানে কিছুক্ষণ ঘষে দিন। এতে অনেকাংশে ঘাম হওয়া কমে যাবে।

নারকেল তেল
নারকেল তেলে রয়েছে লরিক অ্যাসিড নামে একটি উপাদান, যা দুর্গন্ধ সৃষ্টিকারি ব্যাকটেরিয়াদের মেরে ফেলে। শুধু তাই নয়, ঘামের প্রকোপ কমাতেও সাহায্য করে। প্রসঙ্গত, গরমের সময় অতিরিক্ত ঘামের কারণে আমরা অনেকেই খুব ক্লান্ত হয়ে পরি। এই ক্লান্তি দূর করতেও নারকেল তেল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: