বুধবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২০ খ্রীষ্টাব্দ | ১৪ ফাল্গুন ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
দিল্লির বিভিন্ন স্থানে ব্যাপক সংঘর্ষে চার জন নিহত ও ৫০ জন আহত  » «   পুলিশের কব্জায় অটোরিকশা, মায়ের ক্যান্সার চিকিৎসায় শেষ সম্বলও বিক্রি  » «   ১০ লাখ শিক্ষার্থী পাবে ২৯২ কোটি টাকা  » «   ৩৪০০ টাকার পাসপোর্ট ফি ৫২০০ টাকা চেয়ে দুদকের হাতে ধরা  » «   কিশোরগঞ্জে ভাবিকে হত্যার দায়ে দেবরের মৃত্যুদণ্ড  » «   ক্ষমতাসীনরা দেশকে অন্ধকারের দিকে নিয়ে যাচ্ছে  » «   চট্টগ্রামে শিশু গৃহকর্মীর রহস্যজনক মৃত্যু  » «   মামলা তুলে না নেয়ায় স্ত্রীকে মেরেই ফেললেন স্বামী  » «   ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা সনদে চাকরি, চার পুলিশ সদস্য কারাগারে  » «   করোনাভাইরাস : জাপানি প্রমোদতরীর আরও এক যাত্রীর মৃত্যু  » «   বঙ্গবন্ধু উপাধির ৫১ বছর  » «   ঢাকা-সিলেট ৬ লেনে এডিবির অর্থ ফেরত যাওয়ার শঙ্কা  » «   বাঈজী সরদারনি যুব মহিলালীগ নেত্রী পাপিয়ার উত্থান যেভাবে  » «   কী আছে পাপিয়ার ভিডিও ক্লিপে?  » «   ইতালিতে করোনায় আক্রান্ত ৭৯  » «  

অতিবৃষ্টিতে টেকনাফে পাহাড় ধস, ২ শিশুর মৃত্যু



নিউজ ডেস্ক:: অতিবৃষ্টির ফলে কক্সবাজারের টেকনাফে পাহাড় ধসে দুই শিশু নিহত ও ১০ জন আহত হয়েছে। এছাড়া শত শত পরিবার পানিবন্দী হয়ে পড়েছে। মঙ্গলবার (১০ সেপ্টেম্বর) ভোরে টেকনাফ পৌরসভার পুরাতন পল্লান পাড়া এলাকায় এ পাহাড় ধসের ঘটনা ঘটে। নিহতরা হচ্ছে একই এলাকার রবিউল আলমের ছেলে মেহেদি হাসান (১০) ও মো. আলমের মেয়ে আলিফা আলম (৫)।

উপজেলা সিপিপি (ঘুর্ণিঝড় প্রস্তুতি কর্মসূচি) স্বেচ্ছাসেবক ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা হতাহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক দুইজনকে মৃত ঘোষণা করেন। খবর পেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রবিউল হাসান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

তিনি জানান, অতিবৃষ্টির ফলে পাহাড় ধসে হতাহতের এ ঘটনা ঘটেছে। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিহতদের পরিবারকে আর্থিক সহায়তার ঘোষণা দেয়া হয়েছে। এছাড়া উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে পানিবন্দী ও ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারগুলোতে তাৎক্ষনিক শুকনা খাবারের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

ইউএনও জানান, পাহাড় ধস ও পানিবন্দী পরিবারগুলোর জন্য টেকনাফ বার্মিজ প্রাইমারি ও পাইলট হাই স্কুলে জরুরি আশ্রয় কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

সিপিপি সদস্যরা পাহাড়ের ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা হতে লোকজনকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিয়ে যেতে কাজ করছেন বলে জানান উপজেলা সিপিপি কর্মকর্তা আবদুল মতিন।

এদিকে অতিবৃষ্টিতে টেকনাফ পৌরসভার অলিয়াবাদ, কলেজ পাড়া, জালিয়াপাড়া, সদর ইউনিয়নের গোদারবিল, শীলবুনিয়া পাড়া, হ্নীলা ইউনিয়নের লেদা, রঙ্গিখালীসহ বিভিন্ন নিচু এলাকা প্লাবিত হয়ে শত শত পরিবার পানি বন্দি হয়ে পড়েছে। উপজেলা চেয়ারম্যান নুরুল আলম প্লাবিত এলাকা পরিদর্শন করেছেন।

এদিকে টেকনাফ আবহাওয়া অফিসের কর্মকর্তা শফিউল আলম জানান, সোমবার রাত ৯টা হতে মঙ্গলবার সকাল ৯টা পর্যন্ত ৩৩৬ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। যা চলতি বছরের সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাতের রেকর্ড। বুধবার পর্যন্ত অতি ভারী বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকবে বলে জানান তিনি।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: